মূল অংশে যান
HisabBD

ইএমআই / লোন ক্যালকুলেটর

EMI / Loan Calculator

লোনের মাসিক কিস্তি (ইএমআই), মোট সুদ ও মোট পরিশোধের হিসাব করুন।

অর্থ বিভাগের আরও ক্যালকুলেটর

সুদের হার
মেয়াদ

পূর্ণ সংখ্যায়।

আপনার মাসিক ইএমআই এখানে দেখা যাবে

লোনের পরিমাণ, সুদের হার ও মেয়াদ লিখে “ইএমআই হিসাব করুন” চাপুন।

ইএমআই যেভাবে হিসাব হয়

এই ক্যালকুলেটর প্রচলিত রিডিউসিং-ব্যালান্স পদ্ধতি ব্যবহার করে। প্রতি মাসে সুদ ধরা হয় যত টাকা বাকি আছে তার ওপর, আর প্রতিটি কিস্তি সমান।

ইএমআই = P × r × (1 + r)ⁿ ÷ ((1 + r)ⁿ − 1)

  • P হলো লোনের পরিমাণ (আসল)।
  • r হলো মাসিক সুদের হার ভগ্নাংশে: বাৎসরিক হার ÷ 12 ÷ 100, বা মাসিক হার ÷ 100।
  • n হলো মাসিক কিস্তির সংখ্যা।

সুদের হার 0% হলে সূত্রটি দাঁড়ায় ইএমআই = P ÷ n। মোট পরিশোধ = ইএমআই × n, আর মোট সুদ = মোট পরিশোধ − P।

একটি উদাহরণ

৳5,00,000 লোন, বছরে 9% সুদে, 5 বছরের জন্য: r = 9 ÷ 12 ÷ 100 = 0.0075 আর n = 60। ইএমআই দাঁড়ায় মাসে ৳10,379 (রাউন্ডের আগে 10,379.18)। 60 মাসে মোট দেবেন ৳6,22,751, যার মধ্যে ৳1,22,751 সুদ। প্রথম বছরে প্রায় ৳82,915 যায় আসলে আর ৳41,635 সুদে, বাকি থাকে ৳4,17,085।

ক্যালকুলেটরটি যেভাবে ব্যবহার করবেন

  1. টাকায় লোনের পরিমাণ লিখুন।
  2. সুদের হার লিখুন, আর আপনার লোন অফার অনুযায়ী তা বছরে নাকি মাসে — বেছে নিন।
  3. মেয়াদ পূর্ণ সংখ্যায় লিখুন আর বছর বা মাস বেছে নিন (সর্বোচ্চ 50 বছর)।
  4. “ইএমআই হিসাব করুন” চাপুন। “বছরভিত্তিক হিসাব দেখুন” খুললে প্রতি বছর কত আসল ও সুদ দিচ্ছেন আর কত বাকি থাকছে, তা দেখা যাবে।

ফ্ল্যাট রেট বনাম রিডিউসিং ব্যালান্স

রিডিউসিং-ব্যালান্স লোনে প্রতি মাসের সুদ ধরা হয় বকেয়া ব্যালান্সের ওপর, যা পরিশোধের সাথে সাথে কমে। ফ্ল্যাট-রেট লোনে সুদ ধরা হয় পুরো মেয়াদে আসল পরিমাণের ওপর, তারপর কিস্তিতে ভাগ করা হয়।

তাই একই ঘোষিত শতাংশ ফ্ল্যাট রেটে মোট খরচে বেশি পড়ে — যে টাকা শোধ করে ফেলেছেন তার ওপরও সুদ দিতে থাকেন। অফার তুলনার সময় কোন প্রতিষ্ঠান কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে তা দেখুন, আর মোট কত দিতে হবে জিজ্ঞেস করুন।

এই ক্যালকুলেটরে যা ধরা হয় না

ফলাফলটি প্রচলিত সূত্রের ওপর ভিত্তি করা একটি আনুমানিক হিসাব। এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংক বা ঋণদাতার শর্ত নয়। আসল ইএমআই ভিন্ন হতে পারে এসব কারণে:

  • প্রসেসিং ফি, বিমা ও অন্যান্য চার্জ;
  • ফ্ল্যাট-রেট লোন, বা মেয়াদের মধ্যে হার বদলে যাওয়া;
  • ঋণদাতা কীভাবে কিস্তি রাউন্ড করে, দিন গোনে বা প্রথম কিস্তির সময় ঠিক করে;
  • গ্রেস পিরিয়ড ও আংশিক পরিশোধ।

চূড়ান্ত অঙ্কগুলো সবসময় আপনার লোন চুক্তিতে মিলিয়ে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইএমআই কী?

ইএমআই মানে ইকুয়েটেড মান্থলি ইনস্টলমেন্ট: লোন পুরো শোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেওয়া একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক। প্রতিটি ইএমআই থেকে আগে সেই মাসের সুদ যায়, বাকিটা আপনার বকেয়া কমায়।

রিডিউসিং-ব্যালান্স আর ফ্ল্যাট-রেট সুদের পার্থক্য কী?

রিডিউসিং-ব্যালান্সে প্রতি মাসের সুদ ধরা হয় শুধু যা বাকি আছে তার ওপর, তাই শোধের সাথে সাথে সুদ কমে। ফ্ল্যাট রেটে পুরো মেয়াদ ধরে আসল লোনের ওপর সুদ ধরা হয়, তাই একই ঘোষিত শতাংশে মোট খরচ বেশি পড়ে। এই ক্যালকুলেটর রিডিউসিং-ব্যালান্স পদ্ধতি ব্যবহার করে।

আমার ব্যাংকের ইএমআই কি হুবহু একই হবে?

না-ও হতে পারে। ঋণদাতারা প্রসেসিং ফি, বিমা বা অন্য চার্জ যোগ করতে পারে, কিস্তি অন্যভাবে রাউন্ড করতে পারে, ফ্ল্যাট বা পরিবর্তনশীল হার ব্যবহার করতে পারে, কিংবা মেয়াদের মধ্যে হার বদলাতে পারে। এটি প্রচলিত সূত্র, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকের শর্ত নয়। লোন অফারের অঙ্কগুলো সবসময় মিলিয়ে নিন।

শুরুর ইএমআইয়ের এত বড় অংশ সুদ কেন?

সুদ ধরা হয় বকেয়া ব্যালান্সের ওপর, যা শুরুতে সবচেয়ে বেশি। আসল শোধ হতে হতে ব্যালান্স কমে, তাই পরের ইএমআইগুলোর বড় অংশ যায় আসলে। বছরভিত্তিক হিসাবেই এই বদলটা দেখা যায়।

মেয়াদ বাড়ালে কি লোন সস্তা হয়?

মাসিক ইএমআই কমে, কিন্তু মোট সুদ বাড়ে — কারণ টাকাটা বেশি দিন ধরে বকেয়া থাকে। স্বাচ্ছন্দ্যের মাসিক অঙ্ক আর মোট খরচের মধ্যে ভারসাম্য দেখতে বিভিন্ন মেয়াদ দিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।

মাসিক সুদের হার কি দেওয়া যাবে?

যাবে। হারের পাশে “মাসে” বেছে নিন। বাৎসরিক হারকে 12 দিয়ে ভাগ করে মাসিক হার বের করা হয়। এককটি আপনার লোন অফারের সাথে মিলছে কি না দেখে নিন — মাসে 1% বছরে 1%-এর চেয়ে অনেক বেশি।

আপনার ওয়েবসাইটে এই ক্যালকুলেটর যোগ করুন

এই কোডটি কপি করে আপনার পেজে বসান। এটি ফ্রি। ক্যালকুলেটরটি আপনার পেজের ভেতরেই চলে, আর এতে লেখা কোনো তথ্য আপনার বা HisabBD-র কাছে পাঠানো হয় না।