মূল অংশে যান
HisabBD

অর্জিত ছুটি হিসাব ক্যালকুলেটর

Earned Leave Calculator (Labour Act)

শ্রম আইনের 117 ধারা অনুযায়ী অর্জিত (বাৎসরিক) ছুটি হিসাব করুন: কত দিন অর্জিত হলো, 40 বা 60 দিনের সীমা, কত বাকি আর অব্যয়িত ছুটির টাকার অঙ্ক।

নিয়মগুলো সর্বশেষ যাচাই: 2 নভেম্বর 2026

চাকরি ও মজুরি বিভাগের আরও ক্যালকুলেটর

শুধু প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের জন্য। হার ও সীমা শ্রম আইনের 117 ধারা থেকে নেওয়া।

এক বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি পূর্ণ হয়েছে?

মজুরীসহ ছুটি, বন্ধের দিন, অসুস্থতার ছুটি ও আইনে কাজ বলে গণ্য অন্য দিনগুলো ধরুন (ধারা 117(8))।

আগের বছরগুলোর অব্যবহৃত অর্জিত ছুটি। এটি সীমার বেশি হতে পারে না।

আবেদন করেও না পাওয়া ছুটি সীমার অতিরিক্ত যুক্ত হয় (ধারা 117(7))।

অব্যয়িত ছুটির টাকা (ঐচ্ছিক)

চাকরি ছাড়লে অব্যয়িত ছুটির টাকা দেখতে দুটি ঘরই পূরণ করুন (ধারা 11 ও 119)।

যে দিনগুলো কাজ করেছেন তার মজুরি, মহার্ঘ ও এডহক ভাতাসহ। ওভারটাইম ও বোনাস ধরবেন না।

ওপরের মজুরি যে দিনগুলোর জন্য পেয়েছেন।

অর্জিত ছুটির হিসাব এখানে দেখা যাবে

কাজের দিন, জমা ছুটি আর ভোগ করা ছুটি লিখে “ছুটি হিসাব করুন” চাপুন।

অর্জিত ছুটি কীভাবে হিসাব হয়

অর্জিত ছুটি = কাজের দিন ÷ 18 (বা 22, বা 11), শুধু পূর্ণ দিন। পাওনা = জমা ছুটি + অর্জিত, সীমা পর্যন্ত। বাকি = পাওনা − ভোগ করা।

  1. অর্জন: দোকান, বাণিজ্য, শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা ও সড়ক পরিবহনে প্রতি 18 দিন কাজের জন্য 1 দিন; চা বাগানে প্রতি 22 দিনে 1 দিন; সংবাদপত্র শ্রমিকের প্রতি 11 দিনে 1 দিন।
  2. আগের জমা থাকা অর্জিত ছুটি যোগ করুন।
  3. সীমা প্রয়োগ করুন: 40 দিন (কারখানা, সড়ক পরিবহন) বা 60 দিন (চা বাগান, দোকান, বাণিজ্য, শিল্প প্রতিষ্ঠান)।
  4. মালিক নামঞ্জুর করেছেন এমন ছুটি যোগ করুন, তারপর ভোগ করা ছুটি বাদ দিন।
  5. চাকরি শেষ হলে অব্যয়িত দিনগুলোর টাকা দৈনিক মজুরিতে পাওয়া যায়।

একটি উদাহরণ

একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক এক বছরের বেশি চাকরি করেছেন, গত 12 মাসে 300 দিন কাজ করেছেন, 50 দিন ছুটি জমা আছে আর 14 দিন ভোগ করেছেন। শেষ কাজের মাসে 26 দিন কাজের জন্য মজুরি ৳31,200।

  1. অর্জন: 300 ÷ 18 = 16.67, অর্থাৎ 16 পূর্ণ দিন (12 দিনের কাজ বাকি থাকে)।
  2. জমাসহ: 50 + 16 = 66 দিন।
  3. 60 দিনের সীমায় পাওনা 60 দিন, সীমার কারণে 6 দিন বাদ।
  4. 14 দিন ভোগ করায় বাকি: 60 − 14 = 46 দিন।
  5. দৈনিক মজুরি: ৳31,200 ÷ 26 = ৳1,200। চাকরি ছাড়লে অব্যয়িত ছুটির টাকা: 46 × ৳1,200 = ৳55,200।

দুই তারিখের মধ্যে কত দিন, যেমন যোগদান থেকে আজ পর্যন্ত, জানতে তারিখের ব্যবধান ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন। বাড়তি ঘণ্টা কাজ করলে ওভারটাইম ক্যালকুলেটর দেখুন।

117 ধারায় কী বলা আছে

বাংলাদেশ শ্রম আইন 2006-এর 117 ধারা (মজুরীসহ বাৎসরিক ছুটি), 2 নভেম্বর 2026 সরকারের বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইটে যেভাবে পড়া হয়েছে:

  • 117(1), কে পাবেন ও কত (প্রাপ্তবয়স্ক)। কোনো প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে এক বছর চাকরি পূর্ণ করা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক পরবর্তী বারো মাসে আগের বারো মাসের কাজের জন্য মজুরীসহ ছুটি পাবেন: দোকান, বাণিজ্য বা শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা অথবা সড়ক পরিবহন প্রতিষ্ঠানে “প্রতি আঠার দিন কাজের জন্য একদিন”; চা বাগানে “প্রতি বাইশ দিন কাজের জন্য একদিন”; সংবাদপত্র শ্রমিকের ক্ষেত্রে “প্রতি এগার দিন কাজের জন্য একদিন”।
  • 117(4), জমা ছুটি। বারো মাসের মধ্যে ছুটি সম্পূর্ণ বা আংশিক ভোগ না করলে তা পরবর্তী বারো মাসের পাওনা ছুটির সঙ্গে যুক্ত হবে।
  • 117(5), সীমা (প্রাপ্তবয়স্ক)। পাওনা অর্জিত ছুটি কারখানা বা সড়ক পরিবহন প্রতিষ্ঠানে “চল্লিশ দিন” (40 দিন) এবং চা-বাগান, দোকান, বাণিজ্য বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে “ষাট দিন” (60 দিন) হলে ছুটি পাওনা বন্ধ হয়ে যাবে। সংবাদপত্র শ্রমিকের জন্য এ ধারায় কোনো সীমা বলা নেই, তাই ক্যালকুলেটর তাদের জন্য সীমা ধরে না।
  • 117(7), নামঞ্জুর ছুটি। অর্জিত ছুটির আবেদন মালিক নামঞ্জুর করলে সেই দিনগুলো (5) উপ-ধারার সীমার অতিরিক্ত পাওনা হিসাবে যুক্ত হবে।
  • 117(8), কোন দিন কাজ বলে গণ্য। বন্ধের দিন, মজুরীসহ ছুটি, পীড়া বা দুর্ঘটনার কারণে মজুরীসহ বা মজুরী ছাড়া ছুটি, অনধিক 120 দিন প্রসূতিকালীন ছুটি, লে-অফ, আইনসম্মত ধর্মঘট বা বেআইনি লক-আউটের সময় কাজ ব্যাহত হলেও অবিচ্ছিন্ন কাজ করেছেন বলে গণ্য হবে। এই দিনগুলো “কাজের দিন”-এ ধরুন।

117(2) ও (6) উপ-ধারায় কিশোর শ্রমিকের জন্য আলাদা হার ও সীমা আছে। এই ক্যালকুলেটর শুধু প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের জন্য।

ছুটি নিতে মালিকের কাছে ছুটির ঠিকানাসহ লিখিত আবেদন করতে হয় (ধারা 10)। মালিককে আবেদন পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে অথবা ছুটি শুরুর দুই দিন আগে, যেটি আগে ঘটে, আদেশ দিতে হবে।

চাকরি ছাড়লে অব্যয়িত ছুটির টাকা (নগদায়ন)

11 ধারা অনুযায়ী ছাঁটাই, ডিসচার্জ, অপসারণ, বরখাস্ত, অবসর, পদত্যাগ বা অন্য যেকোনো কারণে চাকরি শেষ হলে এবং বাৎসরিক ছুটি পাওনা থাকলে মালিককে সেই ছুটির বদলে এই আইন অনুযায়ী ছুটির সময়ে শ্রমিকের যে মজুরি প্রাপ্য হতো তা দিতে হবে।

সেই দৈনিক মজুরি কত, তা 119(1) ধারায় আছে: ছুটির ঠিক আগের মাসে যে দিনগুলোতে কাজ করেছেন সেই দিনগুলোর পূর্ণ সময়ের মজুরি এবং মহার্ঘভাতা ও এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরির (যদি থাকে) দৈনিক গড়, অধিকাল ভাতা ও বোনাস ছাড়া। অর্থাৎ দৈনিক মজুরি = সেই মাসের মজুরি ÷ সেই মাসে কাজের দিন। ক্যালকুলেটর দুটি সংখ্যাই চায় এবং শেষ যে মাসে কাজ করেছেন সেটিকে ওই মাস ধরে। খাদ্যশস্য সরবরাহের বদলে নগদ অর্থ পেলে 119(1) ধারার শর্তাংশ অনুযায়ী তা মজুরির সঙ্গে যুক্ত হবে।

119(2) ধারা: প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক একসঙ্গে অন্তত চার দিনের বাৎসরিক ছুটি পেলে যতদূর সম্ভব ছুটি শুরুর আগেই ছুটির মজুরি দিতে হবে।

আইনে অন্যান্য ছুটি

ছুটিদিননিয়ম
নৈমিত্তিক ছুটি, ধারা 115প্রতি পঞ্জিকা বছরে 10 দিন, পূর্ণ মজুরিতেজমা থাকে না, এক বছরের ছুটি পরের বছরে ভোগ করা যায় না। চা-বাগানের শ্রমিকের জন্য প্রযোজ্য নয়।
পীড়া ছুটি, ধারা 116প্রতি পঞ্জিকা বছরে 14 দিন, পূর্ণ মজুরিতেনিবন্ধিত চিকিৎসকের প্রত্যয়ন লাগে। জমা থাকে না। সংবাদপত্র শ্রমিক এর বদলে চাকরির মেয়াদের অন্তত এক-অষ্টাদশ অংশ সময় অর্ধ-মজুরিতে পীড়া ছুটি পান।
অর্জিত (বাৎসরিক) ছুটি, ধারা 117প্রতি 18 / 22 / 11 দিন কাজে 1 দিনএক বছর চাকরির পর; প্রাপ্তবয়স্কের 40 বা 60 দিন পর্যন্ত জমা থাকে। এই ক্যালকুলেটর।
উৎসব ছুটি, ধারা 118প্রতি পঞ্জিকা বছরে 13 দিন, মজুরীসহ2026 সালের সংশোধনীতে 11 থেকে বেড়ে 13 হয়েছে। মালিক তারিখ ঠিক করেন। উৎসব ছুটির দিনে কাজ করলে এক দিনের বিকল্প ছুটি ও দুই দিনের ক্ষতিপূরণমূলক মজুরি পাওয়া যায়।

নৈমিত্তিক, পীড়া ও উৎসব ছুটি জমা থাকে না এবং এই ধারাগুলোতে এগুলোর নগদায়নের নিয়ম নেই, তাই ক্যালকুলেটর শুধু অর্জিত ছুটি হিসাব করে।

এই ক্যালকুলেটরের অনুমান

  • শুধু পূর্ণ দিন গোনা হয়। আইনে প্রতি 18 দিন কাজের জন্য 1 দিন বলা আছে, আংশিক দিনের কথা নেই, তাই 17 দিন কাজে এখনো কিছু অর্জিত হয় না।
  • ছুটি পাওনা হওয়ার সময় সীমা প্রয়োগ করা হয়, তারপর ভোগ করা ছুটি বাদ যায়। মালিকের রেকর্ডে দিন ধরে হিসাব থাকতে পারে।
  • দৈনিক মজুরি = শেষ মাসে যে দিনগুলো প্রকৃত কাজ করেছেন সেই দিনের মজুরি ÷ সেই দিন সংখ্যা। কোন দিনের জন্য কত দেওয়া হয়েছে তা আপনার পে-স্লিপ ঠিক করবে।
  • 117(5) ধারায় সংবাদপত্র শ্রমিকের জন্য সীমা বলা নেই, তাই তাদের জন্য সীমা ধরা হয় না।
  • আইনের চেয়ে ভালো চাকরি বিধি বা চুক্তি হিসাবে নেই। সরকারি কর্মচারীদের নিয়ম আলাদা।

2 নভেম্বর 2026 যাচাই করা নিয়ম

আমরা 2 নভেম্বর 2026 সরকারের বাংলাদেশ আইন ওয়েবসাইটে 10, 11, 115, 116, 117, 118 ও 119 ধারা পড়েছি। সেখানকার পাঠে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, 2026 ইতিমধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এই পাতা সাধারণ তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। আপনার ছুটির হিসাব নিয়োগপত্র, চাকরি বিধি আর মালিকের ছুটির রেকর্ড অনুযায়ী হবে। ছুটি বা ছুটির মজুরি অন্যায়ভাবে না পেলে মালিক, ইউনিয়ন বা শ্রম অফিসের সঙ্গে কথা বলুন।

ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম

  1. আপনি কোথায় কাজ করেন বাছুন। এতে হার ও সীমা ঠিক হয়।
  2. এক বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি পূর্ণ হয়েছে কি না বলুন।
  3. গত 12 মাসের কাজের দিন, জমা থাকা অর্জিত ছুটি আর ভোগ করা ছুটি লিখুন।
  4. ইচ্ছা হলে নামঞ্জুর ছুটি এবং অব্যয়িত ছুটির টাকা দেখতে শেষ মাসের মজুরি ও কাজের দিন যোগ করুন।
  5. “ছুটি হিসাব করুন” চাপলে অর্জিত দিন, বাকি ছুটি আর নগদায়নের টাকা দেখা যাবে।

আপনার তথ্য ব্রাউজারেই থাকে। শুধু এই ডিভাইসের সাম্প্রতিক হিসাবে সংরক্ষিত হতে পারে, যা আপনি বন্ধ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র

সবগুলো 2 নভেম্বর 2026 যাচাই করা।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশ শ্রম আইনে অর্জিত ছুটি কীভাবে হিসাব হয়?

117(1) ধারা অনুযায়ী এক বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি পূর্ণ করা প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক দোকান, বাণিজ্য বা শিল্প প্রতিষ্ঠান, কারখানা ও সড়ক পরিবহন প্রতিষ্ঠানে প্রতি 18 দিন কাজের জন্য 1 দিন, চা বাগানে প্রতি 22 দিনের জন্য 1 দিন, আর সংবাদপত্র শ্রমিক প্রতি 11 দিনের জন্য 1 দিন ছুটি পান। এই ছুটি আগের 12 মাসের কাজের জন্য, পরের 12 মাসে ভোগ করতে হয়।

অর্জিত ছুটি সর্বোচ্চ কত দিন জমা রাখা যায়?

117(5) ধারা: প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকের পাওনা ছুটি কারখানা বা সড়ক পরিবহন প্রতিষ্ঠানে 40 দিন আর চা বাগান, দোকান, বাণিজ্য বা শিল্প প্রতিষ্ঠানে 60 দিন হলে আর বাড়ে না। আবেদন করা ছুটি মালিক নামঞ্জুর করলে 117(7) ধারায় সেই দিনগুলো সীমার অতিরিক্ত পাওনা হিসাবে যুক্ত হয়।

ভোগ না করা অর্জিত ছুটি কি পরের বছরে জমা থাকে?

হ্যাঁ। 117(4) ধারা অনুযায়ী ভোগ না করা ছুটি পরবর্তী 12 মাসের পাওনা ছুটির সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে 117(5) ধারার সীমা পর্যন্ত। নৈমিত্তিক ছুটি (ধারা 115) ও পীড়া ছুটি (ধারা 116) জমা থাকে না।

চাকরি ছাড়লে বা শেষ হলে কি অর্জিত ছুটির টাকা পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। 11 ধারা অনুযায়ী ছাঁটাই, ডিসচার্জ, অপসারণ, বরখাস্ত, অবসর, পদত্যাগ বা অন্য যেকোনো কারণে চাকরি শেষ হলে এবং বাৎসরিক ছুটি পাওনা থাকলে মালিক সেই ছুটির সময়ে যে মজুরি প্রাপ্য হতো তা দেবেন।

ছুটির টাকা কোন দৈনিক মজুরিতে ধরা হয়?

119(1) ধারা: ছুটির ঠিক আগের মাসে যে দিনগুলোতে কাজ করেছেন, সেই দিনগুলোর পূর্ণ সময়ের মজুরি, মহার্ঘভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরির (যদি থাকে) দৈনিক গড়। অধিকাল ভাতা ও বোনাস বাদ। উদাহরণ: 26 দিন কাজের জন্য ৳31,200 মানে দিনে ৳1,200, তাই 46 দিনের ছুটির টাকা ৳55,200।

300 দিন কাজ করলে কত দিন অর্জিত ছুটি পাওয়া যায়?

প্রতি 18 দিনে 1 দিন ধরলে 300 দিনে 16 পূর্ণ দিন (300 ÷ 18 = 16.67; আইনে আংশিক দিনের কথা নেই, তাই শুধু পূর্ণ দিন ধরা হয়)। আগের 50 দিন জমা থাকলে মোট 66, কিন্তু 60 দিনের সীমায় দাঁড়ায় 60। 14 দিন ভোগ করলে বাকি থাকে 46।

সরকারি কর্মচারী বা কিশোর শ্রমিকের জন্য কি এটি চলবে?

না। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের চাকরি বিধি অনুসরণ করেন। কিশোর শ্রমিকদের হার ও সীমা 117(2) ও (6) ধারায় আলাদা, যা এই ক্যালকুলেটরে নেই। আপনার প্রকৃত ছুটির হিসাব নিয়োগপত্র, চাকরি বিধি আর মালিকের ছুটির রেকর্ড অনুযায়ী হবে; এটি আইনি পরামর্শ নয়।

আমার তথ্য কি কোথাও পাঠানো হয়?

না। হিসাব আপনার ব্রাউজারেই হয়। সাম্প্রতিক হিসাব শুধু আপনার ডিভাইসে সংরক্ষিত থাকতে পারে; চাইলে বন্ধ বা মুছে ফেলতে পারেন।

আপনার ওয়েবসাইটে এই ক্যালকুলেটর যোগ করুন

এই কোডটি কপি করে আপনার পেজে বসান। এটি ফ্রি। ক্যালকুলেটরটি আপনার পেজের ভেতরেই চলে, আর এতে লেখা কোনো তথ্য আপনার বা HisabBD-র কাছে পাঠানো হয় না।